Notice:     1) গ্রেডিং পদ্ধতিতে ২০১৬ সনের ২য় বর্ষ বি.এসসি. অনার্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি পরীক্ষার সময় সূচী              2) কোটায় ভর্তির জন্য যা যা করতে হবে              3) প্রবেশ পত্র প্রদানের নোটিশ              4) 1st year incourse 2016-17              5) 1st year incours 2016-17              6) কোর্স পদ্ধতিতে ২০১৬ সনের ২য় বর্ষ বি.এসসি. অনার্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি পরীক্ষার সময় সূচী              7) কোর্স পদ্ধতিতে ২০১৫ সনের এম.এস. গার্হস্থ্য অর্থনীতি পরীক্ষা সময় সূচী              8) গ্রেডিং পদ্ধতিতে ২০১৬ সনের ১ম বর্ষ বি.এসসি. অনার্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি পরীক্ষার সময় সূচী              9) ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ অক্টোবর              10) সকল ছাত্রীকে মার্কশীট সংগ্রহ করার জন্য বলা হচ্ছে              11) ১ম বর্ষ (সম্মান), ২য় বর্ষ (সম্মান) এবং এম.এস এর সকল শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে              12) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নির্দেশিকা          
    select * from tbl_acrimenu where menutype='2' and data_status=1 and ddsubmenu='ddsubmenuside1' order by sort_ord;
dsfdsjfhsdjkfhsdkjfhsdkjh100009
User Login
User ID:
Password:

Food and Nutrition

খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান কেন পড়বো

খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ বছর পূর্বে গ্রীক দার্শনিক হিপোক্রেটাস বলেছিলেন, খাদ্য হোক ঔষুধ এবং ঔষুধ হোক খাদ্য। বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতির এই সময়ে সে কথার মর্মবাণী আমরা বুঝতে পারি। আজ খাদ্যবিজ্ঞান গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে অনেক খাদ্যে এমন সব প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান রয়েছে যা মানুষের সাস্থ্যরক্ষা ও রোগ নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে।

খাদ্য বিজ্ঞান হচ্ছে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার এমন একটি সমন্বয় যেখানে প্রাণ রসায়নে, জীববিদ্যা ও পুষ্টিবিজ্ঞানকে কাজে লাগানো হয়। জ্ঞানের এই শাখায় শিক্ষালাভ করে সুস্বাস্থ্যের জন্য সর্ব্বচ পুষ্টিবিজ্ঞানকে কাজে লাগানো হয় । জ্ঞানের এই শাখায় শিক্ষালাভ করে সুস্থ্যের জন্য সর্বচ্চ পুষ্টিমান- সমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা লাভ করা যায়।

খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান হচ্ছে গার্হস্থ্য অর্থনীতি শিক্ষার অন্যতম বিষয়। গার্হাস্থ্য অর্থনীতি শিক্ষায় খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিষয়ের মাধ্যমে শরীর গঠন ও সুস্থভাবে জীবন যাপনের জন্য জোর দেওয়া হয়। পারিবারিক সামািজিক তথা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রধান হাতিয়ার হল সুস্থ শরীর ও সুস্থ মনের অধিকারী হওয়া। যে কোন কাজ করার দক্ষতা র্অজনের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুস্থ শরীর গঠনে চাই পর্যাপ্ত পুষ্টির সরবরাহ। এই পুষ্টি সরবরাহের নিশ্চয়তা প্রদানের লক্ষে গার্হস্থ্য অর্থনীতি শিক্ষা ব্যবস্থায় খাদ্য পুষ্টিবিজ্ঞান অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। যা অধ্যায়নের ফলে নিজ তথা পরিবারে পুষ্টি চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। তা ছাড়া ব্যাক্তি গত ও পারিবারিক স্বাস্থ্য রক্ষার উপায় সম্বন্ধে খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান যথোপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে থাকে। তাই একজন শিক্ষার্থী বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের জন্য নিজের শরীর গঠন ও সুস্থ জীবন যাপনের শিক্ষা পেয়ে নিজেকে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসাবে তৈরী প্রথম শর্ত সুস্থ দেহে সুস্থ মন সুস্থ চিন্তার অধিকরী ব্যাক্তি হওয়া আর এর মূলে রয়েছে খাদ্য ও পুষ্টি।

 


গভীর ভাবে চিন্তা করলে দেখা যায় দেশকে উন্নত করতে হলে খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান দরকার । পরিবারের সদস্যদের সুস্থ ও নীরোগ করে গড়ে তুলতে হলে খাদ্যের সমবন্টন শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী সুসষম খাদ্য গ্রহন, Life Style এর প্রতিটি পর্যায়ে শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য প্রাপ্তি খাদ্য মূল্য সংরক্ষন খাদ্য মূল্য বাজায় রেখে খাদ্য প্রস্তুত শুধু মাহ ঔষধ দ্বারা রোগ নিরাময় হয়না এতে খাদ্য ও পুষ্টি গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপুষ্টি জনিত রোগ প্রতিরোধ করতে খাদ্য ও পখ্যের ভূমিকা উল্লেখ যোগ্য । এই সব কিছুই খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান থেকে অর্জন করা হয় । খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের কর্মক্ষেত্র ব্যপক ও বিস্তৃত । বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ সচেতনতা পুষ্টি বিজ্ঞানীয়দের ভূমিকা চিকিৎসকের সমপর্যায়ে প্রসার লাভ করেছে ।এই বিভাগের ছাত্রীরা শিক্ষা শেষে ICDDRB, জাতীয় পুষ্টি পরিষদ, বিভিন্ন হাসপাতাল Food Industry সহ জাতীয় পর্যায়ে সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গবেষনা । চাকরী ক্ষেত্রে অগ্রধিকার পেয়ে থাকে। তা ছাড়াও বিভিন্ন সরকারী স্কুল ,কলেজ, Garments শিল্পে ডায়টেশিয়ান হিসাবে আবার বিভিন্ন খাদ্যে শিল্পে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রেনের জন্য, খাদ্য বিজ্ঞানী হিসাবে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালনে সক্ষম হয় । জাতীয় পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনায় পুষ্টি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার প্রতিষ্ঠানিক ভূমিকার উপর জোর দেওয়া হয়েছে । থানা জেলা পর্যায়ে সাস্থ কমপ্লেস ও হাসপাতালে পুষ্টি বিপদের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা চলছে । খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানের ছাত্রীরা বিএস সি (সম্মান) বিএস,এস শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে INFS (Institute of Nutrition and Food Science) উচ্চতর ডিগ্রী এম,ফিল পিএসইডি লাভ করে,জীবন সুন্দর, সুখময় ও সার্থক করে তুলতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন সুস্থ সবল, সচেতন সতেজ দেহ ও মন আর এর জন্য যথাযথ পুষ্টি শিক্ষার প্রয়োজন। মোট কথা বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করা যাবে।